| বাগেরহাটের সংক্ষিপ্ত তথ্য |
|
|
|
|
বাগেরহাট বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিম অংশের একটি জেলা । এটি খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার আয়তন ৩৯৫৯।১১ বর্গ কিলোমিটার। জেলার উত্তর পাশে রয়েছে গোপালগঞ্জ এবং নড়াইল জেলা এবং দক্ষিণের সম্পূর্ন অংশে রয়েছে বঙ্গোপসাগর । এছাড়া পূর্বের জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, বরগুনা এবং খুলনা জেলা রয়েছে বাগেরহাটের পশ্চিম পাশে। বাগেরহেটের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রধান নদীগুলির মধ্যে রয়েছে পাংগুচি, দারাতানা, মধুমতি, পশুর, মংলা, বালেশ্বর, বাংলা, গোষেরখালি ইত্যাদি।
বাগেরহাটকে বিভক্ত করা হয়েছে মোট ৯টি উপজেলা, ৭৭টি ইউনিয়ন পরিষদ, ১০৩১ টি গ্রাম, ৬৮৭টি মৌজা এবং ৩টি মিউনিসিপালিটি ২৭টি ওয়ার্ড এবং ৫৬টি মহল্লাতে। উপজেলাগুলির নাম হল : বাগেরহাট সদর, কচুয়া, চিতলমারী, ফকিরহাট, মংলা, মোরেলগঞ্জ, মোল্লাহাট, রামপাল ও শরণখোলা। জাতিসংঘের ঘোষনা অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ৩টা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রয়েছে (তথ্যসূত্র)। যার মধ্যে ২টিই রয়েছে বাগেরহাট জেলাতে । প্রথমটা মসজিদের শহর বাগেরহাট (তথ্যসূত্র, ছবি) এবং দ্বিতীয়টা সুন্দরবন (তথ্যসূত্র, ছবি)। বাগেরহাট শহরকে ১৯৮৫ সালে এবং সুন্দরবনকে ১৯৯৭ সালে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষনা করা হয়। বাগেরহাট শহরকে “মসজিদের শহর” বলা হয়। শহরটি বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ পশ্চিম অংশে অবস্থিত। ১৫ শতকের শুরুর দিকে তুর্কী সেনাপতি খান জাহান আলী এই শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন । ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন এই শহরটি “খলিফাতাবাদ” নামে পরিচিত ছিল। পুরো শহরজুড়ে রয়েছে ইসলামিক মসজিদ ও ঐতিহ্যের বিভিন্ন নিদর্শন। ৫০টিও বেশী স্থাপনা চিহ্নিত করে ইউনেস্কো ১৯৮৫ সালে বাগেরহাট শহরকে বিশ্ব এতিহ্যের অংশ হিসাবে ঘোষণা করে। এই স্থাপনাগুলির মধ্যে রয়েছে ষাট গম্বুজ মসজিদ ,সিংড়ো মসজিদ ,বিবি বেগনীর মসজিদ , চুনখোলা মসজিদ, খান জাহান এর মাজার ইত্যাদি। মধ্যযুগে এদেশে মুসলিম শাসনের স্বাক্ষর বহন করে এই শহরটি। বাগেরহাটের কিছু দর্শনীয় স্থানের নাম হল
|
বাগেরহাট
|
বাগেরহাট বাংলাদেশের দক্ষিন পশ্চিম অংশের একটি জেলা । এটি খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার আয়তন ৩৯৫৯।১১ বর্গ কিলোমিটার। জেলার উত্তর পাশে রয়েছে গোপালগঞ্জ এবং নড়াইল জেলা এবং দক্ষিণের সম্পূর্ন অংশে রয়েছে বঙ্গোপসাগর । এছাড়া পূর্বের জেলাগুলির মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জ, পিরোজপুর, বরগুনা এবং খুলনা জেলা রয়েছে বাগেরহাটের পশ্চিম পাশে। বাগেরহেটের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রধান নদীগুলির মধ্যে রয়েছে পাংগুচি, দারাতানা, মধুমতি, পশুর, মংলা, বালেশ্বর, বাংলা, গোষেরখালি ইত্যাদি। |
| Read more... |




